নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নির্দেশনা অনুযায়ী, ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই কেন্দ্রগুলোতে ব্যালট বাক্স সিলগালা করে গণনার প্রস্তুতি নেওয়া হয়। প্রথমে সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ব্যালট আলাদা করা হয়, এরপর একই সঙ্গে দুটি ভোটের গণনা শুরু হয়।
এবার ভোটাররা দুটি পৃথক ব্যালটে ভোট দিয়েছেন। সাদা ব্যালটে সংসদ সদস্য প্রার্থীদের এবং গোলাপি ব্যালটে গণভোটের পক্ষে বা বিপক্ষে মতামত জানানো হয়েছে।
নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩২ হাজার ৭৮৯টি কেন্দ্রে ভোটের হার ছিল ৩২.৮৮ শতাংশ। বেলা ২টা পর্যন্ত ৩৬ হাজার ৩১টি কেন্দ্রে ভোট পড়েছে ৪৭.৯১ শতাংশ।
ভোট গ্রহণ চলাকালে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটলেও সার্বিকভাবে নির্বাচন শান্তিপূর্ণ ছিল। দুটি জেলায় ককটেল বিস্ফোরণ এবং পৃথক ঘটনায় চারজন ভোটার অসুস্থ হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন। এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে কিছু অভিযোগ এসেছে, যা তদন্তের জন্য নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হয়েছে।
ভোট গ্রহণের সময় ভোটারদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ। সকাল থেকেই বহু কেন্দ্রে দীর্ঘ লাইন দেখা গেছে। বিশেষ করে নারী ও তরুণ ভোটারদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী জানিয়েছে, বড় ধরনের সহিংসতা বা বিশৃঙ্খলার খবর পাওয়া যায়নি। প্রায় ৯ লাখ সদস্য নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করেছেন। সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা সার্বক্ষণিক মাঠে ছিলেন। পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে নজরদারি চালানো হয়েছে।




