তিনি বলেছেন, এবারের নির্বাচন শুধু একটি দলের নয়, এটি দেশের ভবিষ্যৎ ও গণতন্ত্র রক্ষার গুরুত্বপূর্ণ নির্বাচন। বিগত সময়ে দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি, লুটপাট ও চাঁদাবাজি চলছে; নতুন সরকারের মাধ্যমে এসব নির্মূল করা হবে এবং সরকারি অর্থের পাচার আটকানো হবে। ক্ষমতায় গেলে পাচার হওয়া অর্থ খুঁজে বের করে রাষ্ট্রীয় তহবিলে ফেরত দেওয়া হবে এবং দেশের সবচেয়ে বঞ্চিত ও নির্যাতিত অঞ্চলে উন্নয়ন কার্যক্রম শুরু করা হবে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, নদী ভাঙন, বঞ্চনা ও অন্যান্য সামাজিক সমস্যা দূর করতে সরকার ব্যবস্থা নেবে। অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড, মিথ্যা মামলা ও দুর্নীতি প্রতিরোধ করা হবে এবং যেকোনো অপকর্মের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করা হবে।
জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান এসময় নতুন বাংলাদেশের যাত্রা শুরু করার প্রতিশ্রুতি দেন এবং দেশের সব অঞ্চলে ন্যায় ও সমতার ভিত্তিতে সেবা পৌঁছে দেওয়ার বিষয়টি গুরুত্ব দেন।
পটুয়াখালীসহ ১১ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারাও জনসভায় অংশ নেন।
সকাল থেকে বাউফল পাবলিক মাঠ ও আশপাশে হাজার হাজার নারী–পুরুষ নেতাকর্মী ও সমর্থক উপস্থিত হয়ে জনসভাকে প্রাণবন্ত করে তুলেছেন। দূর-দূরান্ত থেকে মিছিল নিয়ে নেতাকর্মীরা সমাবেশস্থলে যোগ দেন।
জনসভা শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও দলীয় স্বেচ্ছাসেবকরা দায়িত্ব পালন করেন এবং আশপাশের এলাকায় কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়।




