বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–২ এ আদেশ দেন।
যাবজ্জীবন দণ্ডিতরা হলেন—ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, ঢাকা জেলা পুলিশের সাভার সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহিদুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী, পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস ও ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন।
সাত বছর দণ্ড হয়েছে আরাফাত উদ্দীন ও কামরুল হাসানের। আর রাজসাক্ষী হওয়ায় ক্ষমা করা হয়েছে শেখ আবজালুল হককে।
এ মামলায় সাবেক এমপি সাইফুলসহ মোট আসামি ১৬ জন। এর মধ্যে গ্রেপ্তার রয়েছেন ঢাকা জেলা পুলিশের সাভার সার্কেলের সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহিদুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবদুল্লাহিল কাফী, ঢাকা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সাবেক পরিদর্শক মো. আরাফাত হোসেন, আশুলিয়া থানার সাবেক এসআই আবদুল মালেক, আরাফাত উদ্দীন, কামরুল হাসান, শেখ আবজালুল হক ও সাবেক কনস্টেবল মুকুল চোকদার।
পলাতক আছেন সাবেক এমপি সাইফুল ইসলাম, ঢাকা রেঞ্জের সাবেক ডিআইজি সৈয়দ নুরুল ইসলাম, ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার মো. আসাদুজ্জামান রিপন, আশুলিয়া থানার সাবেক ওসি এ এফ এম সায়েদ, পরিদর্শক মোহাম্মদ মাসুদুর রহমান, পরিদর্শক নির্মল কুমার দাস, এএসআই বিশ্বজিৎ সাহা ও যুবলীগ কর্মী রনি ভূঁইয়া।




