ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আজ জনগণ রঙিন জামা পরা ফ্যাসিবাদকে লাল কার্ড দেখিয়েছে। কেউ যদি আবার নতুন রূপে ফ্যাসিবাদ নিয়ে আসে, জনগণ তাকে প্রত্যাখ্যান করবে।
মায়ের মর্যাদা নিয়ে তিনি বলেন, প্রত্যেক মানুষ এই দুনিয়ায় জন্ম নেয় মায়ের মাধ্যমেই। যারা নিজের মাকে সম্মান করতে জানে না, তারা কখনো বাংলাদেশের নয় কোটি মাকে সম্মান করতে পারবে না। আমি তাদের বলছি, তওবা করো, ক্ষমা চাও, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাও। যাকে অপমান করেছ, তার কাছেও গিয়ে ক্ষমা চাও।
তিনি আরও বলেন, মায়ের সন্তানরা বেঁচে থাকতে মায়ের অপমান মেনে নেবে না। আমাদের মায়ের ইজ্জতের দাম আমাদের জীবনের চেয়েও বেশি। জীবন দিতে পারি, কিন্তু মায়ের সম্মান কারও হাতে তুলে দিতে পারি না।
নিজেকে ঘিরে গুজব ছড়ানোর অভিযোগ করে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আজ আমার নামে গুজব ছড়ানো হচ্ছে, আক্রমণ শুরু হয়েছে। এত পচা ও নোংরা চিন্তা কিভাবে করে? যাদের নিজের চরিত্রে কোনো সম্পদ নেই, তারাই অন্যের চরিত্র নিয়ে কুৎসা রটায়।
তিনি বলেন, আজ দুই সম্প্রদায়ের মানুষই ভীষণভাবে জেগে উঠেছে। একটি তরুণ যুবসমাজ জেগে উঠেছে। এটা আর চলবে না। এটাই আমার বাংলাদেশ, এটাই নতুন বাংলাদেশ, ১৩ তারিখের পরের বাংলাদেশ, ইনশাআল্লাহ।
মায়েদের ভূমিকা তুলে ধরে তিনি বলেন, আজ মায়েরাও ইনসাফের পক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। অনেক মা মিডিয়ার সামনে স্পষ্টভাবে বলেছেন—আমরা আর ঘরে বসে থাকব না।
একজন নারীর বক্তব্য উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, একজন মা ও বোন নিজের পছন্দের পোশাক পরে রাস্তায় নেমেছেন। তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছে, আগামী বাংলাদেশ কার হাতে দেখতে চান? তিনি বলেছেন, জামায়াতের হাতে। তাকে বলা হয়েছে, পোশাক বদলাতে হবে। তিনি জবাব দিয়েছেন, ‘আমি রাস্তায় নেমেছি, ভয় পাই না। ভয় পেলে তাদের পাওয়া উচিত।
তিনি আরও বলেন, জিজ্ঞেস করা হয়েছে, কেন জামায়াত চান? তিনি বলেছেন, জামায়াত এলে দেশ ঠিক হবে। সন্ত্রাস, গুন্ডামি, ভোটকেন্দ্র দখল ও জনগণের ভোট পকেটে ঢোকানো বন্ধ হবে।
শেষে যুবকদের উদ্দেশে জামায়াতের আমির বলেন, আমরা সবাই মায়ের সন্তান। কেউ বাপের পেটে জন্মাইনি, কেউ বাপের দুধ খাইনি, সবাই মায়ের বুকেই বড় হয়েছি। যুবকদের বলছি, তৈরি হয়ে যাও, হাত মজবুত করো। ইনশাআল্লাহ, এই বাংলাদেশ তোমাদের হাতেই গড়ে উঠবে।




