তিনি বলেন, নিরপেক্ষতার প্রশ্নে আমরা সামান্যতম কোনো বিচ্যুতি গ্রহণ করব না। অতীতে যেসব প্রতিষ্ঠান ভাবমূর্তি সংকটে পড়েছে, তার মূল কারণ ছিল নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতার অভাব। সে কারণে এক চুল পরিমাণ পক্ষপাতিত্বও আমরা মেনে নেবো না।
ইসি সানাউল্লাহ বলেন, নির্বাচন কমিশন বা সরকারের পক্ষ থেকে কখনোই পক্ষপাতিত্বমূলক কোনো নির্দেশনা দেওয়া হবে না। এরপরও কেউ যদি নিজের পছন্দ-অপছন্দের ঊর্ধ্বে উঠতে না পারেন এবং পক্ষপাতিত্বের প্রমাণ পাওয়া যায়, তাহলে তার পরিণতি খুব খারাপ হবে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশন অত্যন্ত কঠোর অবস্থানে থাকবে।
নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমাদের প্রথম প্রত্যাশা ছিল মাঠপর্যায়ে সবার ঐক্যবদ্ধতা। এর মাধ্যমেই সুন্দর, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্ভব। ফেনী জেলায় এখন পর্যন্ত সেই পরিবেশ বিদ্যমান।
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর উদ্দেশ্যে ইসি সানাউল্লাহ বলেন, আমাদের লক্ষ্য হলো মানুষ যেন নির্ভয়ে ও নির্বিঘ্নে তার পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে। এর কোনো ব্যত্যয় ঘটতে দেওয়া যাবে না। একটি ভালো নির্বাচনের পূর্বশর্ত হলো ভালো আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি। এজন্য সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা প্রয়োজন। আমরা যা কিছু হারিয়ে ফেলেছি, তা পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার বিকল্প নেই।




